ব্রেকিং নিউজ

গণপরিবহনে নৈরাজ্য থামছেই না

নভেম্বর ২৪ ২০২১, ১০:১৭

অনলাইন ডেস্ক ॥ বিমানবন্দর থেকে মগবাজারের দূরত্ব ১৩ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার। সরকার নির্ধারিত নতুন ভাড়া ২ টাকা ১৫ পয়সা হিসেবে এ পথটুকুর ভাড়া দাঁড়ায় ২৮ টাকা ৯৪ পয়সা। অথচ এখন এই পথটুকুর ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। জ্বালানি তেল ডিজেলের দাম বাড়ানোর পর পরিবহন ধর্মঘটের মুখে বাসভাড়া বৃদ্ধির ঘোষণার পর থেকেই নতুন ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন শুরু হয়েছে। আর এভাবেই ২৯ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৪০ টাকা। এ নিয়ে প্রতিদিনই যাত্রীর সঙ্গে চলে বাগ্বিত-া, হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি। বাসের হেলপার কন্ডাক্টরদের যুক্তি-আগেই তো ভাড়া ছিল ৩০ টাকা- কাজেই নতুন ভাড়া মাত্র ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। যাত্রীরা বাড়তি ভাড়ার চার্ট দেখতে চাইলে বাসের জানালায় অত্যন্ত ক্ষুদ্রাক্ষরে লেখা সাদা কাগজে একটা তালিকা দেখে নিতে বলা হয়। সেই চার্টের কাছে চোখ নিয়ে দেখা যায়- শুধু বাস স্টপেজ ও ভাড়ার পরিমাণ লেখা আছে। আর কিলোমিটার ? তাতে রয়েছে জালিয়াতি। এয়ারপোর্ট থেকে মহাখালী হয়ে মগবাজার পর্যন্ত দূরত্ব দেখানো হয়েছে ১৫ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার। এখানেই দুই কিলোমিটারের বেশি দেখিয়ে চার্ট তৈরি করেছে। এভাবে ঢাকা শহরের প্রতিটি রুটেই পরিবহন মালিক সমিতি তাদের নিজ নিজ বাসে কিলোমিটারের চার্ট তৈরি করে তাতে ভাড়া উল্লেখ করে দিয়েছে। যাত্রীরাও দূরত্বের এই মাপজোক নিয়ে এত মাথা ঘামানোর সুযোগ ও উপায় পাচ্ছেন না। আর এতেই যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বাড়তি ভাড়া আদায়ের সুযোগটাকে ইচ্ছেমতো কাজে লাগাচ্ছে মালিক সমিতি। বিআরটিএ প্রতিদিনই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা করছে। তাতেও থামছে না ভাড়া নৈরাজ্য।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়- মাইলেজ বা কিলোমিটার বা দূরত্বের কোন সঠিক পরিমাপ বিআরটিএর- কাছে নেই। যেটা আছে সেটাতে কিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে ১৫ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার। এটাই পরিবহন মালিকরা বাসে টানিয়ে ভাড়া আদায় করছে। কিভাবে চলছে এমন কা- প্রশ্ন করা হলে বিআরটিএ-এর পরিচালক সীতাংশু শেখর বিশ্বাস দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন-আমাদের কাছে সিটির চার্ট নেই। এটা থাকে মিরপুরের আরটিসি-এর কাছে। ওদের দেয়া চার্টই পরিবহন মালিক সমিতি তাদের বাসে টানিয়েছে।

এই চার্টে তো বিমানবন্দর থেকে মহাখালী হয়ে মগবাজারের দূরত্ব দুই কিলোমিটার বেশি দেখানো হয়েছে। এটা কি জালিয়াতির আওতায় পড়ে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- আমরা এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখব। আসলে এটা অনেক দিনের পুরানো চার্ট। আগে যারা এ দায়িত্বে ছিলেন তারাই তৈরি করে দিয়ে গেছেন। এখন এটা প্রয়োজনে হালনাগাদ করতে হবে।

 

গত এক সপ্তাহ ধরে সরেজমিনে দেখা যায়- বিমানবন্দর থেকে মগবাজার এই রুটে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চলাচলকারী বাসগুলো হচ্ছে- বলাকা, গাজীপুর পরিবহন, আজমেরী ও প্রভাতী বনশ্রী পরিবহন। এগুলো গাজীপুর থেকে গুলিস্তান ও সায়েদাবাদ পর্যন্ত চলাচল করে। শুধু এ রুটেই নয়- সব রাজধানীসহ রাজধানীতে প্রবেশকারী দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বাসগুলোতেও একই কায়দায় আদায় করা হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। কিলোমিটার হিসেবে কেউ ভাড়া নিচ্ছে না। প্রতিটি রুটেই গায়ের জোরে আদায় করা হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। তবে সরকার নির্ধারিত এ নতুন ভাড়াকে কেন্দ্র করে পরিবহনকর্মীদের সঙ্গে বাগ্বিত-ায় জড়িয়ে পড়ছেন যাত্রীরা। সরকার ২৭ শতাংশ বাসভাড়া বাড়ালেও আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায় করছে।

যেমন রবিবার রাত পৌনে আটটায় মগবাজার থেকে প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব- ১৪- ৯২৪২) বাসে ওঠে মুজিবুর রহমান নামের এক যাত্রী দাঁড়িয়ে রওনা হন এয়ারপোর্ট। তিনি বাসে উঠেই দেখতে পান এ রুটের দূরত্ব লেখা রয়েছে ১৫ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার। আবার কন্ডাক্টার ভাড়া দাবি করে বসে ৪০ টাকা। তখন তিনি মোবাইলে ক্যালকুলেটরে হিসেব করে দেখেন ২ টাকা ১৫ পয়সা হিসেবে ভাড়া আসে সাড়ে ৩৩ টাকার মতো। এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক করার পর কন্ডাক্টর বাধ্য হন ৩৫ টাকা নিতে। তখন বেশ কজন যাত্রী তাদের কাছ থেকে নেয়া ৪০ টাকার ভাড়া থেকে ৫ টাকা ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান। এ নিয়ে চলে তুমুল গ-গোল যা চলে মগবাজার থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত। এ দিকে যাত্রী মুজিবুর এ রাস্তার দূরত্ব গুগল ম্যাপে গিয়ে দেখতে পান মাত্র ১৩ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার। সেই হিসেবে কন্ডাক্টর জালিয়াতি করে ভাড়া নিয়েছে ৬ টাকা বেশি। ভাড়া নিয়ে এমন নৈরাজ্যই চলছে গত তেলের দাম বাড়ানোর পর থেকে।

 

ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ-কিলোমিটার বা দূরত্ব মেনে বাসের ভাড়া কেউ নিচ্ছে না। সবাই গায়ের জোরে ভাড়া আদায় করছে নিজস্ব তৈরিকৃত চার্ট অনুযায়ী। যেটার সঙ্গে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া তালিকার কোন মিল নেই। ভাড়া নিয়ে এত অরাজকতা চলার পরও কেউ নেই দেখার। নেই যাত্রীদের অভিযোগ জমা দেবার কোন জায়গা। যদিও এটা বিআরটিএ-এর দায়িত্ব যাত্রীদের অভিযোগ সার্বক্ষণিক গ্রহণ করে সেগুলোর নিষ্পত্তি করা করা। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে-এছাড়া এসব বিষয়ে যাত্রীদের অভিযোগ কোথায় দিতে হবে সে বিষয়ে কোনো বাসেই তেমন কোন নির্দেশনা দেয়া নেই। বেসরকারী কোম্পানীর বাসগুলোতেও নেই কোন নির্দেশনা। আর নগরীতে চলাচলকারী বিআরটিসির বাসে শুধু একটি স্টিকার সাঁটানো থাকে। যাতে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেয়ার কথা লেখা থাকে। কখনও ৯৯৯-এ প্রশ্ন করেছেন কি না এমন প্রশ্ন একাধিক যাত্রীকে করা হলে তাদের উত্তর আসে না। তবে তারা জানিয়েছেন- বিআরটিএ যদি খুব কঠোর নজরদারি ও তদারকি করত তাহলে হয়তো এত বিশৃঙ্খলা হতো না।

রাজধানীর বেশীরভাগ রুটের যাত্রীর সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, পরিবহনে বাড়তি ভাড়া নিয়ে যে নৈরাজ্য চলছে তা দেখার কেউ নেই। সরকারী রেগুলেটর অথরিটি বিআরটিএ নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও তাতেও প্রতিকার হচ্ছে না। জরিমনাতেও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছেনা পরিবহনের স্বেচ্ছাচারিতা ও জুলুম নির্যাতন। জানতে চাইলে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন-প্রতিদিনই ব্যবস্থা নিচ্ছি। সারা শহরে চলছে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। স্বউদ্যোগ ছাড়াও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। এমনকি পরিবহন মালিকদের সঙ্গেও বৈঠক করে তাদের জানিয়েছি যদি এ অবস্থা চলতে থাকে তাহলে আর রেহাই দেয়া হবেনা কাউকে। তাদেরও দায়দায়িত্ব আছে। তারা নিজেরাই যদি সংশোধিত না হয় তাহলে আমরা রুট পারমিট ও চালকের লাইসেন্স বাতিল করব।

একই অবস্থা অন্যান্য রুটেও। গত কদিন ধরে রাজধানীর উত্তরা, এয়ারপোর্ট, মহাখাল, বনানী মগবাজার, ফার্মগেট গুলিস্তান, সায়েদাদাবাদ মহাখালি, গাবতলী ও মিরপুর এলাকা পরিদর্শ করে দেখা যায়- সর্বত্রই একই অবস্থা বিরাজ করছে। যেমন-মিরপুর থেকে ফার্মগেটের দূরত্ব ৬.৯ কিলোমিটার। সরকার নির্ধারিত ভাড়া ২ টাকা ১৫ পয়সা অনুযায়ী ভাড়া দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৮৩ পয়সা। তবে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ২০ টাকা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পরিবহনটির হেলপার সারোয়ার বলেন, মিরপুর থেকে ফার্মগেট আগে ১৫ টাকা ছিল ওয়েবিল। ভাড়া বাড়ার পর মালিক কইছে ২০ টাকা করছে ওয়েবিল। এখন যাত্রীরা তা মানতে চায় না। এ বিষয়ে সাহানা নামের এক যাত্রী বলেন, কন্ডাক্টর আগের ভাড়ার দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে। যেমন আগে ভাড়া ছিল ১৫ টাকা-এখন নেয়া হচ্ছে ২০ টাকা। তারা কিছুতেই কিলোমিটারের হিসাব মানছে না। এমনকি বাসে যে চার্ট টানানো তাতেও নেই কিলোমিটার অনুযায়ী ভাড়া। শুধু আছে ওমুক স্টেশন থেকে তমুক স্টেশন পর্যন্ত ভাড়া এতটাকা। যাত্রীরা জানতে পারছে না কত কিলোমিটার অনুযায়ী কত ভাড়া হতে পারে।

একই অভিযোগ করেন- মারুফ নামের এক যাত্রী। রবিবার দুপুরে তিনি বলেন- ফার্মগেট থেকে শাহবাগের দূরত্ব ৩.৫ কিলোমিটার। এবার তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারী হিসাবমতে- ২ টাকা ১৫ পয়সা অনুযায়ী ওই পথের ভাড়া হয় ৭ টাকা ৫২ পয়সা। অথচ আদায় করা হচ্ছে-১৫ টাকা। বাসের কন্ডাক্টর যুক্তি দেখায়- আগেই তো ভাড়া ছিল ১০ টাকা। সেজন্যই মাত্র ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। একই হারে যাত্রাবাড়ী থেকে মিরপুরগামী শিকড় পরিবহন, সদরঘাট থেকে মিরপুর দুয়ারীপাড়াগামী বিহঙ্গ পরিবহন এই রুটে ১৫ টাকা করে যাত্রী পরিবহন করছে। বাসের ভাড়া আদায়কারী কন্ডাক্টরদের কথা হচ্ছে- তাদের করণীয় কিছুই নেই। সবই চলে মালিকের ইচ্ছেয়। সেজন্য মালিকপক্ষ থেকে যে ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে সেই অনুযায়ী ভাড়া আদায় করছে।

ভাড়া নৈরাজ্যের চিত্র অবিশ্বাস্য ঠেকে মিরপুর এলাকায়। মিরপুর থেকে কালশী নতুন ফ্লাইওভার হয়ে মহাখালী পর্যন্ত গলাকাটা ভাড়া আদায় করছে পরিবহন কোম্পানিগুলো। গাবতলী থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচক্কর হয়ে মহাখালী যেতে ভাড়া ২৫ টাকা। অথচ পথিমধ্যে যে কোন এক স্টপেজ থেকে শুধু জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার পার হলেই একজন যাত্রীকে ২৫ টাকা গুনতে হয়। সরকারী হার অনুযায়ী এই দূরত্বের ভাড়া কোনভাবেই ১৫ টাকার বেশি হবে না। কাকরাইল থেকে মগবাজার পেরিয়ে নাবিস্কো নামলে ভাড়া দিতে হচ্ছে ২০ টাকা। মগবাজার থেকে গুলিস্তান দূরত্ব হচ্ছে ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার। সরকারী তালিকা অনুযায়ী ভাড়া ৭ টাকা। অথচ পরিবহনের চালকরা বাসভাড়া নিচ্ছেন ২০ টাকা। ভাড়া দেয়ার সময় দু-এক টাকা কম দিলে যাত্রীদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন পরিবহনকর্মীরা। ঘটে মারামারিও। এটা গোটা নগরীর চিত্র। পরিবহন কোম্পানিগুলোর ভাড়া নিয়ে এমন জালিয়াতি ও ডাকাতিই করছে। মনজিল, গাজীপুর পরিবহন, বলাকা, আজমেরী, বিহঙ্গ, ফাল্গুন, বিকাশসহ সব কোম্পানির গাড়ির সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা। কোন কোন বাসে ২০ টাকার নিচে টিকেটই নেই। অথচ পিক-আওয়ারে এসব বাসে দাঁড়িয়ে যাওয়ারও কোন উপায় থাকে না। সকালে অফিসে যাওয়ার সময় এসব বাসের কাউন্টারে শত শত লোক টিকেট কেটে দাঁড়িয়ে থাকেন বাসের অপেক্ষায়। বাসের সংখ্যা কম থাকায় গাদাগাদি করে যাত্রী নেয়ার পরও অনেক যাত্রী টিকেট কেটে পরবর্তী বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকেন। যাত্রীকল্যাণ সমিতির এক অনুসন্ধানে দেখা যায়- রাজধানীর ৭০ ভাগ গণপরিবহনই সর্বনি¤œ ভাড়া আদায় করছে ২০ টাকা। ২০ ভাগ গাড়ি আদায় করছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। আর বাকি ১০ ভাগ গাড়ি নিয়ম অনুযায়ী ৭ টাকা সর্বনিম্ন ভাড়া আদায় করছে।

শুধু সিটি সার্ভিস নয়- আন্তঃজেলায় বা দূর পাল্লার বাসেও চলছে একই অরাজকতা। যেমন ফেনী থেকে ঢাকায় চলাচলকারী স্টারলাইন পরিবহনেও ভাড়া আদায় করা হচ্ছে গায়ের জোরে। নুতন ভাড়া অনুযায়ী ফেনী থেকে ঢাকা ১৫০ কিলোমিটার ২৭০ টাকা হলেও ৩২০ এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ৩৭০ টাকা ভাড়া নিয়ে যাত্রী বহন শুরু করেছে ফেনীর স্টারলাইন পরিবহনের বাসগুলো। নারায়ণগঞ্জেও দেখা যায়- অতিরিক্ত ভাড়ায় চলছে গণপরিবহন। সরকার ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও তা মানছে না পরিবহন ব্যবসায়ীরা। তারা নিজেদের ইচ্ছামতো অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে।

খিলগাঁওয়ের যাত্রী মানিক জানান, বিআরটিসির বাসে সবচেয়ে বেশি নাজেহাল হতে হয় যাত্রীদের। তাদের বাসে ১০ টাকার নিচে কোন ভাড়া নেই। জায়গায় জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে। প্রতিবাদ করলে যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।

 




আজকের আবহাওয়া

পুরাতন সংবাদ খুঁজুন

November 2021
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  

আমাদের ফেসবুক পাতা


এক্সক্লুসিভ আরও

1017 Shares
%d bloggers like this: