ব্রেকিং নিউজ

বরিশাল লঞ্চ টার্মিনাল এখন অবৈধ ব্যবসায়ীদের দখলে

সেপ্টেম্বর ০৫ ২০২১, ২২:৩৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থীত বিআই ডব্লিউটিএ’র লঞ্চঘাটের প্রবেশ পথ দখল করে অবৈধভাবে দোকান বসিয়েছেন স্থানীয়রা। দূরপাল্লা থেকে আশা যাত্রীদের প্রতিনিয়ত ঘটছে দর্ঘটনা। এ যেন দেখার কেউ নেই কোনো কর্তৃপক্ষ। বাস্তবে দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ফুটপাত নাকি ব্যবসাকেন্দ্র। হাঁটার জায়গাজুড়ে পণ্যসামগ্রীর পসরা আর হকারদের ব্যস্ততা। পথচারীরা ফুটপাতে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় হাঁটবেন, সেখানেও একই অবস্থা।

রাস্তা দখল করে গাড়ি পার্কিং আর হকারদের ব্যবসা। এমনকি সরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ অফিসের পথও রুদ্ধ হয়ে গেছে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়িদের প্রতিষ্ঠানের কারণে। এই হলো বরিশাল নগরীর ফজলুল হক অ্যাভিনিউ মহসিন মার্কেটের সামনে থেকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানের ফুটপাতের অবস্থা। ছোট ছোট দোকান, ব্যবসাসামগ্রী আর হকারদের ঠেলে গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রতিদিনই হয়রানি পোহাচ্ছেন পথচারীরা।

একদিকে ফুটপাত দখল, অন্যদিকে রাস্তায়ও ঠিকভাবে হাঁটার অবস্থা নেই। ফুটপাত থেকে নামতেই রাস্তার পাশজুড়ে সারি সারি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সাইকেল আর মোটরসাইকেলের ভিড়। তখন আরও বিড়ম্বনা আরও বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। বরিশালের স্থানীয়রা বলছেন, ফুটপাতে ব্যবসা হওয়ায় মানুষ হাঁটাচলা করতে পারে না। আর রাস্তায় যে হাঁটবে, তারও উপায় নেই। রাস্তাজুড়ে রিকশা-অটোরিকশা। পথচারীদের বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পেতে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে পুলিশ প্রশাসনকেই উদ্যোগ নিতে হবে বলে জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

রবিবার দুপুর সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই এলাকার একতলা লঞ্চঘাট পল্টনে ফুটপাতের ওপরে অন্তত ১৫ থেকে ২০ টি চায়ের দোকান বসানো হয়েছে। পাশপাশি চা বিক্রেতারাও ফুটপাত দখল করছেন। ফলে লোকজন চলাচল করছে খুব কষ্ট করে। একদম গা ঘেঁষাঘেঁষি করে। পাশাপাশি দুজনের হাঁটার কোনো সুযোগ নেই। ঠেলাঠেলি করে হাঁটতে হয়। তা ছাড়াও দোকান এমনভাবে বসানো হয়েছে এতে একতলা লঞ্চ টার্মিনালের প্রবেশ পথও বন্ধ হয়ে গেছে।

এর পাশেই হাজী মুহাম্মদ মহসিন মার্কেটের সামনের ফুটপাতে বসেছে পোশাকের দোকান। ওই মার্কেটের দোকানিরা ফুটপাতে পণ্যসামগ্রীর পসরা সাজিয়েছেন। এছাড়া মহসিন মার্কেটের পেছনের একমাত্র সড়কটিও দখলে নিয়ে স্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। অথচ পাশেই রয়েছে স্টীমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ি।

কিন্তু সড়ক দখল রোধে তাদের কোন পদক্ষেপ নেই। পল্টন দায়িত্বেয় থাকা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা কিছুদিন আগে অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজী করার বিষয়টি জানতে পারি। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষের সহয়তায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সকল ধরনের অবৈধ দোকান উঠানো হয়।

কিন্তু স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পূর্ণরায় দোকান বসিয়েছে অবৈধ চক্রটি। তাও হকার্রদের কাজ থেকে কোনো মতে কেউ কোনো চাঁদাদাবী করতে পরবেনা। এবিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তাফিজ রহমান বলেন কিছু দিনের মধ্যে আমরা উচ্ছেদ করার জন্য অভিযান শুরু করবো।

 




আজকের আবহাওয়া

পুরাতন সংবাদ খুঁজুন

September 2021
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  

আমাদের ফেসবুক পাতা


এক্সক্লুসিভ আরও

1405 Shares
%d bloggers like this: